

শায়েখ মুফতী মুজিবুল্লাহ ইসহাকী। তিনি চাঁদপুর জেলাস্থ কচুয়া থানাধীন কড়ইয়া ১নং ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা শায়খুল হাদীস আল্লামা ইসহাক সাহেব দা.বা.। তাঁর মাতা ছিলেন শাইখুল কুররা কারী ইব্রাহীম রহ, উজানী এর ছোট মেয়ের ঘরের নাতনী। তিনি ছয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে পঞ্চম, তার বড় ভাই দারুল উলূম দেওবন্দের সাবেক মঈনে মুফতী শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতী মোহাম্মদুল্লাহ সাদেকী দা.বা. মেঝো ভাই জামিয়া শাইখ যাকারিয়া কাচকুড়া উত্তরা মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম মাওলানা মুহিদুল্লাহ ইসহাকী ও ছোট ভাই জামিয়া আরাবিয়া মদিনাতুল উলুম খাড়াকান্দি মাদরাসার শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতী শাহ শহীদুল্লাহ মাহবুবী দা.বা.। পঞ্চম ভাই দারুল উলুম দেওবন্দের কৃতি ছাত্র হাফেজ মাওলানা মুফতী জিকরুল্লাহ কাসেমী মুহাদ্দিস মেরাজনগর মাদরাসা, রায়েরবাগ, ঢাকা। ঘষ্ঠ ভাই হাফেজ মাওলানা মুফতী হিজবুল্লাহ ইসহাকী মুহাদ্দিস মহিউস সুন্নাহ মাদরাসা পাকাপুল, ধর্মগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
তিনি ছোট বেলা থেকেই অত্যন্ত নম্র-ভদ্র, পরিশ্রমী, মেধাবী ও উত্তম আখলাকের অধিকারী ছিলন। তিনি ঢাকা এসে সর্ব প্রথম তার পিতার প্রতিষ্ঠিত জামিয়া মাহমুদিয়া ইসহাকিয়া মানিকনগর মাদরাসায় কিতাব বিভাগে পড়া-শোনা করেন। পরবর্তীতে শেখ জনুরুদ্দীন চৌধুরীপাড়া মাদরাসা ও জামিয়া রহমানিয়া আরাবিয়া সাত মসজিদ মুহাম্মদপুরে মেশকাত জামাত পর্যন্ত অত্যন্ত সুনামের সাথে অধ্যয়ন করেন। ২০০৬ সালে জামিয়া ইসলামিয়া জমিরিয়া পটিয়া মাদরাসা থেকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধিনে দাওরায়ে হাদিসে ৮৮পড় নাম্বার পেয়ে প্রখর মেধার স্বাক্ষর রাখেন।
২০০৭ সালে আল মারকাজুল ইসলামী মুহাম্মাদপুরে শাইখুল আদব আল্লামা শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রহ. এর সান্নিধ্য অর্জনে উচ্চতর আরবী সাহিত্য বিভাগে ভর্তি হন এবং মুমতাজ নাম্বার পেয়ে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হন। মিশরের আল-আজহার ও মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনের লক্ষ্যে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধিনে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এবং পরীক্ষায় গোল্ডেন "এ" প্লাস পেয়ে টেলেন্টপুল বৃত্তি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে জামিয়া আবু বকর সিদ্দীক রা, যাত্রাবাড়ি মাদরাসায় ইফতা বিভাগে ভর্তি হয়ে মুফতী আল্লামা বোরহান উদ্দিন রাব্বানী দা.বা. এর কাছে ইফতা পড়েন এবং ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট বিভাগে উত্তীণ হয়ে জামিয়া আবু বকর সিদ্দীক রা. মাদরাসাতেই আদীব ও মুহাদ্দিস পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। ২০১০ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সেখানে অত্যন্ত সুনামের সাথে হাজার হাজার ছাত্রদের ইলমে দ্বীন শিক্ষা প্রদান করেন। বেশ কয়েকটি মাদরাসায় হাদিসের দরস প্রদান করার পাশাপাশি আরবি সাহিত্যের কিংবদন্তী শায়েখ শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রহ. এর সহযোগী হয়ে বেশ কয়েকটি মাদরাসায় আরবী সাহিত্যের দরস প্রদান করেন।
২০১০ সালে শিক্ষকতার পাশাপাশি আলিম পরীক্ষা অংশগ্রহণ করে গোল্ডেন "এ" প্লাস অর্জন করে। ২০১৩ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া এর অধিনে ফাজিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সারা বাংলাদেশে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। ২০১৫ সালে কামিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে "এ" প্লাস অর্জন করেন। পরবর্তীতে ২০১৭সালে জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মুহাম্মদপুর, জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুন নূর সায়দাবাদ, খাদেমুল ইসলাম মিরপুর এবং আমলাপাড়া মাদরাসা সহ অনেক মাদরাসা শিক্ষক পদে যোগদানের আবেদন আসলে তিনি মুরুব্বিদের পরামর্শে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল জামিয়াতুল আশরাফিয়া আমলাপাড়া মাদরাসায় মুহাদ্দিস, আদীব ও কাতেব পদে নিয়োগ দেন। বর্তমানে তিনি কিসমূল আদাবিল আরবী বিভাগে মুশরিফ হিসেবে ও নিয়োজিত আছেন।
তাসাওউফ এর লাইনে তিনি বাইয়াত গ্রহণ করেন আলেমকুল শিরোমনি লক্ষ লক্ষ মানুষের আধ্যাত্মিক রাহবার শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি রহ, এর হাতে।
অতঃপর শাইখুল ইসলাম রহ, তাকে খেলাফত প্রদান করেন।
শিক্ষার্থীদের হাতের লেখা সুন্দর করার মাধ্যমে আলোকিত জীবন গড়ার লক্ষ্যে ২০১৮ সাল থেকে জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা, জামিয়া শারইয়্যাহ মালি বাগ, জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুন নূর মাদরাসা, জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলুম ফরিদাবাদ, দারুল উলুম নিযামিয়া, জামিয়া আরাবিয়া মাখযানুল উলুম তালতলা ময়মনসিংহ, জামিয়াতুস সুন্নাহ শিবচর, মাদারীপুর এবং বাইতুল উলুম ঢালকা নগর গেন্ডারিয়া সহ ১২০ এর অধিক প্রতিষ্ঠানে একধিকবার অত্যন্ত সুনামের সাথে আরবী, বাংলা, ইংরেজী ও উর্দু হাতের লেখা প্রশিক্ষণের খেদমত আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন। তার লিখিত সম্পাদিত ও অনুদিত বেশ কয়েকটি আরবী এবং বাংলা বই রয়েছে।
আল্লাহ তা'আলা এই খেদমতকে ইখলাসের সাথে আঞ্জাম দেওয়ার তওফীক দান করুক এবং নফয়ে আম করুক।
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সম্পর্কে
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
শায়েখ মুফতি মুজিবুল্লাহ ইসহাকী দা.বা.
"মুফতী হিজবুল্লাহ ইসহাকী"
লেখকের ছোট ভাই
লিখনে










শাইখুল হাদীস আল্লামা ইসহাক সাহেব দা.বা.
শাইখুল হাদীস আল্লামা
মাহফুজুল হক দা.বা.
শাইখুল হাদীস আল্লামা
বোরহানউদ্দিন রাব্বানী দা.বা.
শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতি
মুহাম্মদুল্লাহ সাদেকী দা.বা.
শাইখুল হাদীস আল্লামা
আবূ হানীফা দা.বা.
আল-ইসহাক একাডেমির উপদেষ্টাবৃন্দ


শাইখুল হাদীস আল্লামা জাকারিয়া রহ. এর বিশিষ্ট শাগরিদে রশীদ, বহু প্রতিষ্ঠানের মুরুব্বী, জামিয়া মাহমুদিয়া ইসহাকিয়া মানিকনগর মাদরাসা ঢাকা এর প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক ও শাইখুল হাদীস, আমার শ্রদ্ধাভাজন আব্বাজান পীরে কামেল শাইখুল হাদীস আল্লামা ইছহাক কাসেমী দা.বা. এর বাণী ও দু'আ
সুন্দর হাতের লেখা মানবজীবনের একটি অমূল্য সম্পদ। তাই সুন্দর হাতের লেখার কদর শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ছোট-বড় সকলের কাছেই আছে। বিশেষ করে যাদের হাতের লেখা খুব একটা সুন্দর না, তারা সারাটা জীবনেই আফসোস করে নিজের হাতের লেখা নিয়ে আর অন্যের সুন্দর লেখাটা দেখে ঈর্ষা করে। তবে যারা সুন্দর করার জন্য চেষ্টা করেছেন, তারা অবশ্যই পেরেছেন। আর যারা চেষ্টা করেনি, তারা আজ অবধি আফসোস করে। অথচ চেষ্টা করলে সবই সম্ভব। সবচেয়ে খারাপ হাতের লেখাকে সবচেয়ে সুন্দর ও আকর্ষণীয় হাতের লেখায় পরিণত করা কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। এর জন্য প্রয়োজন প্রচন্ড ইচ্ছাশক্তি, সাধনা আর ফন্নী শিক্ষক কিংবা চমৎকার দিকনির্দেশনা সম্বলিত বই। এতে করে একজন তালিবুল ইলম সহজে, স্বল্প সময়ে লেখা সুন্দর ও আয়ত্ব করতে পারে আলহামদুলিল্লাহ লেখকের হাতের লেখার বইগুলো তেমনি যুগান্তকারী বই। যার অনুশীলনে একজন শিক্ষার্থী কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছতে পারবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। হে আল্লাহ তুমি লেখককে বুনিয়া ও আখেরাতে ভরপুর কামিয়াবি দান করুন। আমিন বান্দা
বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-এর মহাসচিব এবং বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ জামিয়া রাহমানিয়া আজিজিয়া বসিলা মোহাম্মাদপুর-ঢাকা-এর প্রতিষ্ঠাতা ও মোহতামিম শাইখুল হাদীস আল্লামা মাহফুজুল হক দা. বা. এর অভিমত
বেফাকের মহাসচিব হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা হলো এই যে, যে সকল তালিবুল ইলম বেফাকের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে মেধা তালিকায় নিজেদেরকে স্থান করে নেয় তাদের সকলের লেখাই সুন্দর। এ থেকে বুঝা যায় ভালো ফলাফল করার ক্ষেত্রে সুন্দর লেখার অনবদ্য ভূমিকা রয়েছে। তাই লেখা সুন্দর করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য অত্যাবশ্যক। তাই ছাত্রদের এই আবশ্যকীয়তাকে সামনে রেখে আমার স্নেহভাজন বিশিষ্ট কাতিব আমলাপাড়া মাদরাসার মুহাদ্দিস ও উচ্চতর আদব বিভাগের মুশরিফ মুফতী মুজিবুল্লাহ ইসহাকী আধুনিক পদ্ধতিতে সহজ সরলভাবে হস্তলিপির সব ধরনের খাতা উপস্থাপনা করেছে, এতে একজন দুর্বল থেকে দুর্বল ছাত্র অল্প কয়েক দিনের মধ্যে লেখা সুন্দর করতে সক্ষম হবে। বইগুলো আমি দেখেছি যে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে দরস ভিত্তিক সাজিয়েছে। তই সকল মাদরাসা স্কুল কলেজ এবং সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুশীলনের ব্যবস্থা করা জরুরী বলে মনে করি, আর শিক্ষকবৃন্দ প্রয়োজনীয় বইয়ের অনুশীলন করতে ছাত্রদেরকে উদ্বুদ্ধ করবেন। পরিশেষে দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাকে ও তাঁর এই খেদমতকে কবুল ও মঞ্জুর করেন। বান্দা
যুগশ্রেষ্ঠ আলেমকুল শিরোমণি শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ. ও শাইখুল মাশায়িখ আল্লামা জমিরুদ্দীন নানুপুরী রহ. এর অন্যতম বিশিষ্ট খলীফা মুফাক্কিরে ইসলাম, বিশিষ্ট দায়ী, বহু প্রতিষ্ঠানের মুরুব্বি, ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া আহমদিয়া কচুয়া মাদরাসা এর মহাপরিচালক আমার শ্রদ্ধাভাজন শ্বশুর, পীরে কামেল শাইখুল উলামা আল্লামা আবু হানীফা দা.বা. এর বাণী ও দু'আ
নাহমাদুহু ওয়ানুসল্লি আলা রাসুলিহিল কারীম। আম্মা বাদ, শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্যে সুন্দর হাতের লেখার কোনো বিকল্প নেই। এর দ্বারা শিক্ষার্থীদের যোগ্যতাও নির্ণয় হয়। লেখা ভালো তো নাম্বার ভালো, নাম্বার ভালো তো রেজাল্টা ভালো, রেজাল্টা ভালো তো ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল ও আলোকিত, মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়। সুতরাং শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্যে হলেও হাতের লেখা সুন্দর করা তাৎপর্যপূর্ণ আবশ্যক। আর সেই লেখা যদি মাতৃভাষার বাংলা লেখা হয় তাহলে তো সোনায় সোহাগা। তাই এই তাৎপর্যের প্রতি লক্ষ্য রেখে কোর্সমূলক বক্ষমান খাতাটির আদ্যপান্ত চমৎকার ও সুবিন্যস্তভাবে রচনা করেছেন আমলাপাড়া মাদরাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস ও উচ্চতর আরবি সাহিত্য বিভাগের মুশরিফ মুফতী মুজিবুল্লাহ ইসহাকী আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার খেদমত গুলোকে কবুল করুন।
বিশ্ব বিখ্যাত বুযুর্গ আল্লামা আব্দুল হাফীজ মাক্কী রহ. এর বিশিষ্ট খলীফা, দারুল উলূম দেওবন্দ এর সাবেক মুঈনে মুফতী, আন্তর্জাতিক পুরুষ্কার প্রাপ্ত মুফাসসিরে কুরআন, প্রখ্যাত লিখক, বিদগ্ধ গবেষক ও ভাষাবিদ উস্তাযুল আসাতিযা শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতী মোহাম্মদুল্লাহ সাদেকী দা.বা. এর অভিমত
আলহামদুলিল্লাহ। আমি লেখকের হাতের লেখার সব ধরনের খাতা দেখে যারপরনাই আনন্দিত ও মুগ্ধ হয়েছি কারণ এ ধরনের খাতাগ প্রয়োজন দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করছিলাম। কেননা শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য সুন্দর লেখার কোন বিকল্প নাই, লেখা ভালো তো নাম্বার ভালো, নাম্বার ভালো তো রেজাল্ট ভালো। রেজাল্ট ভালো তো ভবিষ্যত হবে ভালো ও উজ্জ্বল আলোকিত। সুতরাং শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য হলেও লেখা সুন্দর করা তাৎপর্যপূর্ণ আবশ্যক। তাই এই তাৎপর্যের প্রতি লক্ষ্য করে খাতাগুলো রচনা করেছেন আমার স্নেহের ছোট ভাই বিশিষ্ট আরবী সাহিত্যিক, বহুলেখায় পারদর্শী মাও, মুফতী মুজিবুল্লাহ ইসহাকী। দোয়া করি, আল্লাহ তাআ'লা যেন তার রচনাকে নফয়ে আম করে দেন এবং তাকে বেশী করে দ্বীনের খেদমত করার তৌফীক দান করেন। আমীন
প্রতিষ্ঠাতান সম্পর্কে......
আল-ইসহাক একাডেমি সম্পর্কে উপদেস্টাদের অভিমত








